আজকের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোর প্রসেসিং পাওয়ার এতটাই বেশি যে এগুলো খুব সহজেই পুরোনো দিনের জনপ্রিয় কনসোলগুলোকে ইমুলেট করতে পারে। অনেকেই এখন বাজার থেকে নতুন কোনো গেমিং ডিভাইস না কিনে একটি টাইপ-সি (USB-C) ডক ব্যবহার করে টিভি বা মনিটরের সাথে ফোন যুক্ত করছেন। এর ফলে মুহূর্তের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে একটি আধুনিক মাল্টিপ্লেয়ার গেমিং স্টেশন। কিন্তু কাগজ-কলমে যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে এই স্মার্টফোন দিয়ে রেট্রো গেমিং কনসোল বানানোর অভিজ্ঞতা কি সত্যিই ততটা মসৃণ? একাধিক কন্ট্রোলার সিঙ্ক করা, ডিসপ্লে আউটপুট মিমানো এবং ইনপুট ল্যাগ কমানোর মতো কিছু প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ এখানে বেশ বড় ভূমিকা পালন করে।
একটি টাইপ-সি হাবে স্মার্টফোন প্লাগ করে HDMI-এর মাধ্যমে টিভিতে কানেক্ট করা বেশ সহজ। তবে বড় স্ক্রিনে গেম খেলার সময় প্রসেসিংয়ের কারণে সামান্য ফ্রেম ড্রপ বা ডিসপ্লে ল্যাগ দেখা দিতে পারে। টিভির 'Game Mode' অন না থাকলে এই ইনপুট ডিলে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, যা অ্যাকশন বা রেসিং গেমের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা নষ্ট করে দেয়।
বন্ধুদের সাথে পুরোনো দিনের নস্টালজিক মাল্টিপ্লেয়ার গেম খেলতে গেলে একাধিক গেমপ্যাড সংযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ব্লুটুথের মাধ্যমে একাধিক কন্ট্রোলার একসাথে যুক্ত করলে সিগন্যাল ইন্টারফেয়ারেন্স বা কানেকশন ড্রপ হতে পারে।
ওয়ারলেস কানেক্টিভিটির ল্যাগ এড়াতে USB হাবে তারযুক্ত কন্ট্রোলার ব্যবহার করাই সেরা সমাধান।
কিছু ছোটখাটো সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, আপনার হাতের ডিভাইসটি দিয়ে একটি রেট্রো হোম গেমিং স্টেশন তৈরি করার আনন্দ আলাদা। সামান্য কিছু টিউনিং এবং সঠিক টাইপ-সি হাব নির্বাচন করলেই কোনো বাড়তি খরচ ছাড়া পুরোনো দিনের নস্টালজিয়া ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আপনি কি স্মার্টফোন দিয়ে রেট্রো গেমিং কনসোল বানিয়ে গেম খেলেছেন? আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
আপনার প্রিয় রেট্রো গেম কোনটি এবং স্মার্টফোনে কনসোল গেমিং নিয়ে আপনার মতামত কি? কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান!









